Skip to main content

 ১. আক্কেল দাঁত কোন বয়সে দেখা যায়?

১৭ থেকে ২৫ বচ্ছর বয়সে।যেহেতু বয়স বাড়ার সাথে সাথে মানুষের জ্ঞান বাড়ে তাই এই দাঁতের এরূপ নামকরন করা হয়েছে। আক্কেল শব্দ এর অর্থ জ্ঞান।ইংরেজিতে  আক্কেল দাঁত কে  WISEDOM TEETH বলা হয়।এই দাঁত বের হলে মাড়ি শক্ত হওয়ার জন্য ব্যাথা হয়।

২. উদ্ভিদের জল ও খনিজ লবন কিসের দ্বারা পরিবাহিত হয়?

জাইলেম। খাদ্য পরিবাহিত হয় ফ্লোয়েম দ্বারা।

৩.উদ্ভিদের বৃদ্ধি পরিমাপক যন্ত্রের নাম কি? অক্স্যানোমিটার

৪.প্রথম জীবন্ত কোষ কে আবিষ্কার করেন?

অ্যান্টন ভ্যান লিউয়েনহোক

৫.কোষ কে আবিস্কার করেন?

রবার্ট হুক

৬.খেলোয়াড়দের অল্পসময়ে শক্তি বাড়ানোর প্রয়োজন হলে কোন জাতীয় খাবার দেওয়া হয়?

কার্বোহাইড্রেট

৭.পরীক্ষাগারে কোন জৈব পদার্থ প্রথম তৈরি করা হয়েছিল?

ইউরিয়া, ভোলহার তৈরি করেছিল-১৯২৮ সালে।

৮.সুষম খাদ্যে শর্করা, ফ্যাট ও প্রোটিনের অনুপাত কত?

4:1:1

৯.লাইসোজোম কি থেকে উৎপন্ন হয়?

গলগী বডি থেকে

১০.কোন কোষ বিভাজিত হয় না?

স্নায়ু কোষ। সেন্ট্রিওল না থাকার কারনে।

১১.মানবদেহের দীর্ঘতম কোষ কোনটি?

স্নায়ু কোষ 

১২.নারকেলের কোন অংশ আমরা খাই?

শস্য 

১৩.মানবদেহে কোন অঙ্গকে ব্লাড ব্যাংক বলা হয়?

প্লীহা।

১৪.প্রকৃতিতে কোন জৈব যৌগটি সর্বাধিক পাওয়া যায়?

সেলুলোজ এবং স্টার্চ

১৫.দুধের বিশুদ্ধতা পরিমাপের যন্ত্রের নাম কি?

ল্যাক্টোমিটার 

১৬.হলুদ তৈরি হয় গাছের কোন অংশ থেকে?

কান্ড 

১৭.একটি নিউরন থেকে অন্য নিউরনের তথ্য প্রেরণ হয় কার মাধ্যমে? 

 ডেনড্রাইট

১৮.নিউরন কি?

নিউরন হল স্নায়ুতন্ত্রের গঠনমূলক ও কার্যকরী একক।

১৯.কোন সাধারণত  বিভাজিত হয় না কিন্তু বিশেষ অবস্থায় বিভাজিত হয়?

ব্যাখ্যা: লিভারের কোষগুলি  সাধারণত  বিভাজিত হয় না কিন্তু লিভার সার্জারির মতো নির্দিষ্ট অবস্থায় বিভাজিত  হতে পারে।

২০.চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক কাকে বলা হয়?

হিপোক্রেটিস





Comments

Popular posts from this blog

অপেক্ষার স্টেশন ও এক কাপ চা

উপন্যাস অপেক্ষার স্টেশন ও এক কাপ চা মধ্যবিত্তের জীবন, অপেক্ষা এবং ভালোবাসার গল্প প্রথম অধ্যায় ভো র পাঁচটা পঁয়তাল্লিশ। ঘড়ির অ্যালার্ম বাজার আগেই অনির্বাণের ঘুম ভেঙে যায়। বহু বছরের অভ্যাস। এখন আর অ্যালার্ম তাকে জাগায় না, বরং শরীরটাই সময়ের আগেই বুঝে যায়—আরও একটা দিনের শুরু হয়েছে। ঘুম ভাঙার পরেও সে কিছুক্ষণ চুপচাপ বিছানায় শুয়ে থাকে। পাশের ঘর থেকে বাবার শুকনো কাশির শব্দ ভেসে আসে। রান্নাঘরে মায়ের হাঁড়ি-পাতিলের শব্দ। উঠোনে কলের কাছে জল ভরার আওয়াজ। এই শব্দগুলোই তার প্রতিদিনের সকাল। বিছানা ছেড়ে উঠে জানালাটা খুলতেই ভোরের ঠান্ডা হাওয়া মুখে এসে লাগল। দূরে রেললাইনের দিক থেকে একটা লোকাল ট্রেনের হুইসেল ভেসে এল। দিনটা আবার শুরু হলো। বাথরুম থেকে বেরিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়াল অনির্বাণ। সাদা শার্টটা গতকাল রাতে ধুয়ে শুকিয়েছে। কলারটা একটু পুরোনো, হাতার কাছে হালকা রং উঠে গেছে। তবু যত্ন করে ইস্ত্রি করা। সরকারি অফিসের গ্রুপ -ডি চাকরিতে মানুষ ধনী হয় না। তবে জামাকাপড় পরিষ্কার রাখার অভ্যাসটা এখনও যায়নি। রান্নাঘর থেকে মা ডাকলেন, ...

নন্দিতার নীরবতা

পঞ্চম অধ্যায় প্রতিদিন ভোরে স্টেশনের সেই ছোট্ট চায়ের দোকানে যে মেয়েটিকে দেখা যায়, তার নাম নন্দিতা । বয়স চব্বিশ-পঁচিশের বেশি নয়। একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। চাকরিটা পেয়েছিল অনেকের তুলনায় বেশ অল্প বয়সেই। পাড়ার লোকজন বলত— — "মেয়েটার ভাগ্য ভালো।" নন্দিতা শুধু মৃদু হেসে যেত। মানুষ সাফল্য দেখে। সেই সাফল্যের পেছনে কত রাতের ঘুম হারিয়ে গেছে, কত ভোর বই খুলে শুরু হয়েছে, কত পরীক্ষার হল থেকে বুক ধড়ফড় করতে করতে বেরিয়েছে—সেসব কেউ দেখে না। চাকরিটা পাওয়ার দিনটা শুধু তার নিজের ছিল না। সেদিন যেন পুরো সংসার একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বেঁচেছিল। বাড়িতে বাবা আছেন। মা আছেন। একজন বড় দাদা।বৌদি আর ছোট্ট ভাইপো ঈষান... আর দিদির বিয়ে হয়ে গেছে। সংসারের সবচেয়ে নিশ্চিত আয় এখন নন্দিতার বেতন। তাই বাড়িতে কেউ খুব একটা তাড়া দেয় না তার বিয়ের জন্য। মুখে অবশ্য সবাই একই কথা বলে— — "ভালো ছেলে পেলে তখন দেখা যাবে।" পাত্রপক্ষ আসে। চা-জলখাবার হয়। কথাবার্তাও এগোয়। কখনও কখনও বিয়ের দিন-তারিখ নিয়ে ইঙ্গিতও পাওয়া...

অফিস নামের আরেক সংসার

দ্বিতীয় অধ্যায় পরদিনও সকালটা যেন আগের দিনেরই পুনরাবৃত্তি। স্টেশনের বাইরে গোপাল কাকুর চায়ের দোকানটা তখন ধোঁয়া ওঠা কেটলির গন্ধে ভরে গেছে। ভাঁড়ে চা ঢালতে ঢালতে গোপাল কাকু দূর থেকেই হেসে বললেন— — এসো বাবা, আজও কম চিনি তো? অনির্বাণ হেসে মাথা নাড়ল। চায়ের ভাঁড়টা হাতে নিয়ে সে প্রতিদিনের মতোই বেঞ্চের এক কোণে গিয়ে বসল। কেন জানি না, বসার পর থেকেই তার চোখ দুটো অজান্তেই দোকানের সামনের রাস্তার দিকে চলে গেল। সে জানে, আর কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই সে আসবে। ঠিক যেমন প্রতিদিন আসে। কিছুক্ষণ পর সত্যিই নীল রঙের ছাতাটা ভাঁজ করতে করতে মেয়েটি দোকানের সামনে এসে দাঁড়াল। গোপাল কাকু যেন আগেই প্রস্তুত ছিলেন। — দিদিমণি, আজও লিকার চা... চিনি অল্প? মেয়েটি মৃদু হেসে বলল— — হ্যাঁ কাকু। চায়ের ভাঁড়টা নিয়ে সে আগের মতোই বেঞ্চের অন্য প্রান্তে গিয়ে বসল। মাঝখানে সেই একই দূরত্ব। কথা আজও হলো না। তবু এই নীরবতাটুকুই যেন দুজনের অদ্ভুত এক রোজকার পরিচয়। কখনও আড়চোখে তাকানো... চোখাচোখি হতেই আবার অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া... এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলোই যেন প্রতিদিনের রুটিন হয়ে উঠেছে। অনির্বাণ কখনও নিজের কাছেও স্বীক...