Skip to main content

 ১. ফুট এন্ড মাউথ ডিজিস কোন অনুজীবি দ্বারা সংঘটিত হয়?

ভাইরাস।। বাচ্ছাদের এই রোগ দেখা যায়।

২.ইতাই ইতাই রোগ কোন ধাতুর কারনে হয়ে থাকে?

ক্যাডমিয়াম

৩.দুধে কোন প্রোটিন পাওয়া যায়? কেসিন

৪.পানীয় জলের নিরাপদ খরতার  মাত্রা কত ?

60 mg/lit থেকে 130 mg/lit

৫.ব্লু বেবি সিনড্রোম জলে উপস্থিত কোন পদার্থের কারনে হয়ে থাকে?

নাইট্রেট

৬.উদ্ভিদের হোয়াইট বাড(White Bud) রোগ কোন মৌলের অভাবে ঘটে থাকে?

জিঙ্ক বা দস্তা

৭.হৃদস্পন্দন দেহের কোন অংশ নিয়ন্ত্রন করে?

মেডুলা বা সুষুম্নাশীর্ষক

৮.কোন যন্ত্র হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রন করে?

পেসমেকার 

৯.হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও স্নায়ুকে উদ্দীপিত করে কোন খনিজ মৌল?

ক্যালসিয়াম,পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম

১০.হিমোসায়ানিনে কোন ধাতু থাকে?

দুই পরমানু তামা

১১.হিমোসায়ানিন কোন শ্রেনীর প্রানীর মধ্যে দেখা যায়?

মোলাস্ক (শামুক জাতীয় প্রানী) ও আর্থ্রোপোডস (সন্ধিপদী প্রানী)

১১.হিমোসায়ানিনের কাজ কি?

মোলাস্ক (শামুক জাতীয় প্রানী) ও আর্থ্রোপোডস (সন্ধিপদী প্রানী) প্রানী দেহে হিমোগ্লোবিন এর বদলে হিমোসায়ানিন থাকে যা অক্সিজেন পরিবহন করে।

১২.মানুষের রক্ত পরিশোধন করে কোন অঙ্গ?

বৃক্ক

১৩.চিংড়ির রেচন অঙ্গের নাম কি?

সবুজ গ্রন্থি

১৪.রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রন করে কোন গ্রন্থি?

অ্যাড্রিনালিন গ্রন্থি 

১৫.রক্তচাপ মাপার যন্ত্রের নাম কি?

স্ফিগমোম্যানোমিটার

১৬.কিডনিতে যে পাথর হয় সেটি আসলে কি?

ক্যালসিয়াম অক্সালেট ও ফসফেটের মিশ্রণ।

১৭.মানব মস্তিষ্কের ওজন কত?

১৪০০ গ্রাম

১৮.দুধে কোন ভিটামিন পাওয়া যায় না?

ভিটামিন -সি

১৯.কোন ভিটামিন মানুষের মূত্রে নির্গত হয়?

ভিটামিন -সি ও ভিটামিন বি কম্পলেক্স -জলে দ্রবনীয় হওয়ায় মূত্রে নির্গত হয়।

২০.মানুষের জিহ্বার কোন অংশে তিতো স্বাদ কারক থাকে?

পিছনের অংশে।মাঝখানে স্বাদ কারক না থাকায় স্বাদ পাওয়া যায় না।সামনে মিষ্টি ওনোনতা, দুই পাশে টক।









Comments

Popular posts from this blog

অপেক্ষার স্টেশন ও এক কাপ চা

অপেক্ষার স্টেশন ও এক কাপ চা মধ্যবিত্তের জীবন, অপেক্ষা এবং ভালোবাসার গল্প প্রথম অধ্যায় ভোর পাঁচটা পঁয়তাল্লিশ ঘড়ির অ্যালার্ম বাজার আগেই অনির্বাণের ঘুম ভেঙে যায়। বহু বছরের অভ্যাস। এখন আর অ্যালার্ম তাকে জাগায় না, শরীরটাই সময়ের আগে বুঝে যায়— আরও একটা দিন শুরু হয়েছে। কিছুক্ষণ চুপচাপ শুয়ে থাকে সে। পাশের ঘর থেকে বাবার শুকনো কাশি ভেসে আসে। রান্নাঘরে মায়ের হাঁড়ি-পাতিলের শব্দ। উঠোনে কলের জল ভরার আওয়াজ। এই শব্দগুলোই তার প্রতিদিনের সকাল। জানালাটা খুলতেই ভোরের ঠান্ডা হাওয়া মুখে এসে লাগল। দূরে রেললাইনের দিক থেকে একটা লোকাল ট্রেনের হুইসেল ভেসে এল। পূর্ব আকাশে তখন আলো ফুটতে শুরু করেছে। পাড়ার দু-একটা বাড়ির দরজা খুলছে, কোথাও ধূপের গন্ধ, কোথাও চায়ের কেটলিতে প্রথম জল চাপানোর শব্দ।  আয়নার সামনে দাঁড়াল অনির্বাণ। সাদা শার্টটা আগের রাতে ধুয়ে শুকিয়েছে। কলার একটু পুরোনো, হাতার কাছে রং উঠে গেছে। তবু যত্ন করে ইস্ত্রি করা। সরকারি অফিসের গ্রুপ-ডি চাকরিতে মানুষ ধনী হয় না, তবে জামাকাপড় পরিষ্কার রাখার অভ্যাসটা এখনও যায়নি। আলমারির ওপর রাখা পুরোনো হাতঘড়িটা হাতে পরল সে। ঘড...

নন্দিতার নীরবতা

পঞ্চম অধ্যায় প্রতিদিন ভোরে স্টেশনের সেই ছোট্ট চায়ের দোকানে যে মেয়েটিকে দেখা যায়, তার নাম নন্দিতা । বয়স চব্বিশ-পঁচিশের বেশি নয়। একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। চাকরিটা পেয়েছিল অনেকের তুলনায় বেশ অল্প বয়সেই। পাড়ার লোকজন বলত— — "মেয়েটার ভাগ্য ভালো।" নন্দিতা শুধু মৃদু হেসে যেত। মানুষ সাফল্য দেখে। সেই সাফল্যের পেছনে কত রাতের ঘুম হারিয়ে গেছে, কত ভোর বই খুলে শুরু হয়েছে, কত পরীক্ষার হল থেকে বুক ধড়ফড় করতে করতে বেরিয়েছে—সেসব কেউ দেখে না। চাকরিটা পাওয়ার দিনটা শুধু তার নিজের ছিল না। সেদিন যেন পুরো সংসার একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বেঁচেছিল। বাড়িতে বাবা আছেন। মা আছেন। একজন বড় দাদা।বৌদি আর ছোট্ট ভাইপো ঈষান... আর দিদির বিয়ে হয়ে গেছে। সংসারের সবচেয়ে নিশ্চিত আয় এখন নন্দিতার বেতন। তাই বাড়িতে কেউ খুব একটা তাড়া দেয় না তার বিয়ের জন্য। মুখে অবশ্য সবাই একই কথা বলে— — "ভালো ছেলে পেলে তখন দেখা যাবে।" পাত্রপক্ষ আসে। চা-জলখাবার হয়। কথাবার্তাও এগোয়। কখনও কখনও বিয়ের দিন-তারিখ নিয়ে ইঙ্গিতও পাওয়া...

পর্ব – ১৮ : সাহসের সকাল

পর্ব – ৮ : সাহসের সকাল ইন্টারভিউয়ের দিন যত এগিয়ে আসছিল, ঈশিতার ফোন কলের সংখ্যা ততই একটু একটু করে বাড়ছিল। খুব দীর্ঘ কথা নয়। নিতান্তই প্রয়োজনের কথা। কখনো কোনো নথিপত্র নিয়ে প্রশ্ন, কখনো যাতায়াতের সময় নিয়ে আলোচনা, কখনো বা শুধু নিশ্চিত হওয়া— — "আপনি তো আসছেন, তাই না?" প্রতিবারই অরিন্দমের একই উত্তর— — "হ্যাঁ, আসছি।" ইন্টারভিউয়ের তিন দিন আগেই সে অফিসে ছুটির আবেদন করে রেখেছিল। কারণ হিসেবে লিখেছিল— 'Personal Work'। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময় তার নিজেরই মনে হয়েছিল, বহু বছর পর কোনো ছুটি সে সত্যিই নিজের ইচ্ছায় নিচ্ছে। ইন্টারভিউয়ের আগের দিন দুপুরে অফিসে কাজ করছিল অরিন্দম। হঠাৎ ফোনটা বেজে উঠল। স্ক্রিনে ভেসে উঠল— "ঈশিতা"। ফোন ধরতেই ওপাশ থেকে পরিচিত কণ্ঠস্বর ভেসে এল। তবে আজ সেই কণ্ঠে যেন এক অচেনা অস্থিরতা মিশে আছে। — "ব্যস্ত আছেন?" — "না, বলুন।" কয়েক সেকেন্ড নীরবতা। তারপর ঈশিতা ধীরে বলল— — "জানেন, আজ বড় অদ্ভুত লাগছে। এতদিন এই দিনটার জন্যই তো প্রস্তুতি নিয়েছি। এখন দিনটা সামনে এসে দাঁড়িয়েছে, আর মনে হচ্ছে সব যেন গু...